দামছড়া থানার পুলিশের হাতে গ্রেফতার কুখ্যাত মাদক পাচারকারী আসাদ মিয়া।

IIW : দামছড়া থানার পুলিশের হাতে গ্রেফতার কুখ্যাত মাদক পাচারকারী আসাদ মিয়া। সাথে উদ্ধার করা হয়েছে বিপুল পরিমাণ বার্মিজ সিগারেট। দীর্ঘ দিন ধরেই দামছড়া নরেন্দ্র নগর এলাকার বাসিন্দা সুন্দর সিনহা,দামছড়ার আসাদ মিয়া ও রামনগর এলাকার কুখ্যাত মাফিয়া কাকা ভাতিজা সুদীপ ও লিটন একত্রিত হয়ে বিভিন্ন মাদক সামগ্রী তথা বার্মিজ সিগারেট মিজোরাম থেকে দামছড়া হয়ে বিভিন্ন রাস্তা ব্যবহার করে আনন্দবাজার পুলিশ নাকা ম্যানেজ করে কৈলাশহর এর সীমান্ত হয়ে বাংলাদেশে পাচারের বেতাজ বাদসা হয়ে উঠেছিল। আরক্ষ দপ্তর থেকে শুরু করে কাস্টমস এর একাংশদের ম্যানেজ করে তারা রাতারাতি এই পাচার ব্যবসায় ফুলেফেপে উঠেছে। তাদের সকলের বিরুদ্ধে একাধিক সমাজ বিরুধি কাজে লিপ্ত থাকার মামলা চললেও তারা এই মাদক সহ বার্মিজ সিগারেট পাচারের ব্যবসায় জড়িয়ে রাতারাতি কোটি কোটি টাকার মালিক হয়ে গেছে, তৈরি করে নিয়েছে আস্ত সিন্ডিকেট। তাদের সাথে জড়িত রয়েছে দামছড়া থানার ক্যাশিয়ার ও তার বন্ধু অর্জুন বনিক, এবং মিজোরামের কানমুনে তাদের সহযোগী রয়েছে সুমন মিয়া, মিজোরামে সুমন মিয়ার বাড়ির গোদামে মজুত করা হয়ে কোটি কোটি টাকার অবৈধ মাদক এবং বার্মিজ সিগারেট, রাতে সেগুলি পাচার করা হয়ে দামছড়ার সুন্দর সিনহা এবং আসাদ মিয়ার বাড়িতে পরবর্তীতে সুন্দর সিনহার এক্সিউভি ৫০০, মারুতি ব্রেজা,ও ওয়াগনার, এবং রামনগের সুদীপ এবং লিটনদের হন্ডাই ভেনু এবং মালটানার বলেরো গাড়ি করে সেগুলি কৈলাশহরে পাচার করা হচ্ছে, এতে জড়িত রয়েছে ধর্মনগর থানার একাংশ পুলিশ বাবুরাও। বিভিন্ন সংবাদে এই খবর প্রকাশ্যে এলে একপ্রকার বাধ্য হয়ে আজ ভোর রাতে দামছড়া থানার ওসি সঞ্জয় মজুমদার গুপন খবরের ভিক্তিতে দামছরা আসাদ মিয়ার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ বার্মিজ সিগারেট উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে যার বাজার মুল্য প্রায় দশ লক্ষাধিক টাকা বলে জানিয়েছে পুলিশ, এখন দেখার এই মামলায় জড়িত আসাদ মিয়ার সাথীদের কি পুলিশ গ্রেফতার করতে পারে? নাকি আসাদ মিয়াও খুব সহজেই ছাড়া পেয়ে যায়!

Post a Comment

0 Comments