IIW : নিজস্ব প্রতিনিধি, দয়ানন্দ চৌধুরী, পানিসাগর :- বিগত ৩ সেপ্টেম্বর পানিসাগর থানার অন্তর্গত রৌয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন একটি দোকানে জোর পূর্বক একটি নাবালিকা মেয়ে ধর্ষিতা হয়। ঘটনার বিবরণে প্রকাশ ঐদিন দুপুরে ১:১৫মিনিট নাগাদ রৌয়ার ৬ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা আতাউর রহমানের মেয়ে নবম শ্রেণীতে পাঠরত আসিফা (কল্পিত নাম) বিদ্যালয় স্কুল টিফিনের সময় শাকিল হোসেন নামে এক যুবক স্কুল থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে স্কুলের পাশে একটি গ্যারেজের ভেতরে জোর পূর্বক দোকানের পিছনের একটি কক্ষে গামছা দিয়ে মুখ বেধে ধর্ষণ করে। এমতাবস্থায় দোকান মালিক সোয়েল বাইরের দিক থেকে ঘড়টিতে তালা লাগিয়ে দেয়। এই ঘটনাটি প্রতক্ষ্য করে পাশে থাকা একটি ছোট ছেলে। সে গিয়ে আসিফার কাকুকে বিষয়টি অবগত করে। কাকুর প্রচেষ্টায় তালা খুলে আসিফা কে রক্তাক্ত অবস্থায় বাড়ি নিয়ে যাওয়া হয়। যথারীতি পরিবারের লোকজন লিখিত অভিযোগ নিয়ে থানায় আসার আগে এলাকার মুসলিম সম্প্রদায়ের পঞ্চায়েতের নামধারী মনোহর আলী, নজরুল হক, খালিক উদ্দিন, ইলাজ উদ্দিন, পন্কি মিঞা, ফকরুদ্দিন, বর্তমান শাসক দলিয় রৌয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের উপ প্রধান নাসির আলী সহ আরও বেশ কয়েকজন, তাদের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের লোকজন দের ভয় ভীতি থেকে শুরু করে। বিষয়টি শালিসি সভার মাধ্যমে সমাধান করতে ছাপ সৃষ্টি করতে থাকে। এমনকি প্রান নাসেরও হুমকি দেওয়া হয়। তরিঘরি করে ঘটনাস্থলে জোর পূর্বক মিমাংসাও করে ফেলা হয়। মিমাংসায় তরুণীটির ইজ্জতের মূল্য বাবদ নগদে এক লক্ষ সত্তর হাজার টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। তাও আবার তিন কিস্তিতে, প্রথম কিস্তিতে সওর হাজার টাকা, এক মাস পর পঞ্চাশ হাজার টাকা এবং বাকি পঞ্চাশ হাজার টাকা দেওয়া হবে ছয় মাস পর। অসহায় পরিবারটি ভয়ে এবং চাপে পড়ে বিষয়টি মেনে নিলেও মন থেকে মেনে নিতে পারেনি। বাধ্য হয়ে বিগত পরশুদিন পুনরায় পানিসাগর থানাতে লিখিত অভিযোগ নিয়ে হাজির হয়। পরিবারের লোকজন জানান থানা থেকে পরিস্কার জানিয়ে দেওয়া হয় যে, এদের অভিযোগ রাখা যাবেনা, কারন ঐ এলাকার মাতব্বর গন বিষয়টি শালিসি সভার মাধ্যমে শেষ করবে বলে জানিয়েছেন। এর মধ্যে নাবালিকা মেয়েটির শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়াতে গতকাল জ্বলেবাসা প্রাথমিক হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। কিন্তু ঐখানে চিকিৎসায় কোন সুফল না পেয়ে আজ সকালে পানিসাগর হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। পানিসাগরে ভর্তি করানোর পর কর্তব্যরত চিকিৎসক পানিসাগর থানাকে অবগত করেন, কিন্তু সংবাদ সংগ্রহ পর্যন্ত পনিসাগর থানা গিয়ে খোঁজ নেয়নি। বাধ্য হয়ে নির্যাতিতার পরিবার সংবাদ মাধ্যমের স্বরনাপন্ন হয়। এই খবর ছরিয়ে পরতেই বিভিন্ন সংঘটনের সমর্থকরা আজ রাএিতে পানিসাগর থানাতে বড় বাবুর সাথে সাক্ষাৎ করে এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখার আহবান করে। তদন্ত ক্রমে সঠিক অভিযুক্ত কে চিহ্নিত করে সঠিক শাস্তি প্রদানের আর্জি জানানো হয়। সংবাদ সুএে জানা যায় যে, মেয়েটির শারিরীক অবস্থার ব্যাপক অবনতি ঘটাতে তরিঘরি ধর্মনগর জেলা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গোটা মহকুমা জুরে উওেজনা বিরাজ করছে। অবিলম্বে এর কোন সুরাহা না হলে ইতিমধ্যে এলাকা জুড়ে বৃহওর আন্দোলনের আভাস পাওয়া যাচ্ছে।
0 Comments